স্বাস্থ্য সংবাদ ব্রেকিং

ডেস্ক প্রতিবেদক
  ৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৫ পি এম

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবস পালিত

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি বিভাগ এসব কর্মসূচির আয়োজন করে।

এ বছরের বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘Unique AND United’। প্রতিপাদ্যটির মাধ্যমে সেরিব্রাল পালসিতে আক্রান্ত প্রতিটি ব্যক্তির স্বাতন্ত্র্যকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি ঐক্য, অন্তর্ভুক্তি, সহজপ্রাপ্যতা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচির মধ্যে ছিল মেডিকেল ক্যাম্প এবং সেরিব্রাল পালসির রোগ নির্ণয় ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কন্টিনিউয়িং মেডিকেল এডুকেশন (সিএমই) সেশন।

সিএমই সেশনে সেরিব্রাল পালসির প্রাথমিক শনাক্তকরণ, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের বিভিন্ন দিক নিয়ে বক্তব্য ও উপস্থাপনা করেন পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দা তাবাসসুম আলম এবং চাইল্ড ডেভেলপমেন্টাল থেরাপিস্ট সালমা পারভিন ও উবায়দিল্লাহ পাঠান।

অনুষ্ঠানে পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, পেডিয়াট্রিক্সের সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক, মেডিকেল অফিসার, ডেভেলপমেন্টাল থেরাপিস্ট, সাইকোলজিস্ট, রেসিডেন্ট চিকিৎসক এবং নিউরোডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডারস (এনডিডি) সার্টিফিকেট কোর্সের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, সেরিব্রাল পালসি আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব রোগ শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। শিশুর শারীরিক, মানসিক, যোগাযোগ ও সামাজিক বিকাশের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে চিকিৎসক, থেরাপিস্ট, মনোবিজ্ঞানীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষের সমন্বিত সেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তারা আরও বলেন, সেরিব্রাল পালসি আক্রান্ত শিশুদের শুধু চিকিৎসার আওতায় আনা নয়, তাদের শিক্ষা, সামাজিক অংশগ্রহণ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের সুযোগ নিশ্চিত করাও জরুরি। পরিবার, চিকিৎসক, থেরাপিস্ট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত সহযোগিতার মাধ্যমে এসব শিশুর সক্ষমতা বিকাশের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

অনুষ্ঠানে সেরিব্রাল পালসিতে আক্রান্ত প্রতিটি শিশুকে তার নিজস্ব সক্ষমতা ও সম্ভাবনা অনুযায়ী এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রাথমিক শনাক্তকরণ, সময়মতো চিকিৎসা ও পুনর্বাসন, বহুমাত্রিক সেবা এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে সেরিব্রাল পালসি আক্রান্ত শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরা হয়।