স্বাস্থ্য সংবাদ ব্রেকিং

ডেস্ক প্রতিবেদক
  ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০১ পি এম

বিএমইউতে স্তন ক্যান্সার সচেতনতা দিবস পালিত

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণের গুরুত্ব তুলে ধরে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) পালিত হয়েছে ১৪তম স্তন ক্যান্সার সচেতনতা দিবস।

এ উপলক্ষে শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডা. মিলন হলে ‘স্তন ক্যান্সারের বৈশ্বিক ও জাতীয় পরিস্থিতি বিশ্লেষণ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। পরে শাহবাগ থেকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত গোলাপি শোভাযাত্রা ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরাম ও বিএমইউর ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগ যৌথভাবে এ আয়োজন করে।

ফোরামটি ২০১৩ সাল থেকে প্রতিবছর ১০ অক্টোবর বেসরকারি উদ্যোগে দিবসটি পালন করে আসছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, স্তন ক্যান্সার বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিবছর দেশে বিপুলসংখ্যক নারী এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করা গেলে যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময়ের সম্ভাবনা অনেক বেশি। তাই লজ্জা ও দ্বিধা কাটিয়ে নারীদের সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বিএমইউর ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেন বলেন, দেশে ক্যান্সার চিকিৎসার সক্ষমতা ও সুযোগের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণের মাধ্যমে বিদ্যমান সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব। এতে অধিকসংখ্যক রোগীকে চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা যাবে।

অধ্যাপক হাবিবুল্লাহ তালুকদার বলেন, রোগ প্রতিরোধকে অগ্রাধিকার দিয়ে নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়নের বিষয়ে সরকারপ্রধান ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বক্তব্য আশাব্যঞ্জক। তিনি সরকারি পর্যায়ে ক্যান্সার চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালেও দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসার সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকারের উদ্যোগ কামনা করেন। একই সঙ্গে অলাভজনক ও সেবামূলক ক্যান্সার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় দেশের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

সংলাপে জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. হালিদা হানুম আখতার, বিএমইউর গাইনি অনকোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সাবেরা খাতুন ও বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস, সিসিপিআরের চেয়ারপারসন মোছাররত জাহান সৌরভ, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. আবু জামিল ফয়সাল, ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ হুমায়ুন কবীর, হীলের প্রতিষ্ঠাতা জেবুন্নেছা এবং জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র পরিচালক মসিহউদ্দিন শাকেরসহ অন্যরা অংশ নেন।