স্বাস্থ্য সংবাদ ব্রেকিং

ডেস্ক প্রতিবেদক
  ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২০ পি এম

বিএমইউতে বিশ্ব স্পাইন ও বিশ্ব অস্টিওপোরোসিস দিবস পালিত

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) যথাযোগ্য গুরুত্ব ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বিশ্ব স্পাইন দিবস-২০২৬ এবং বিশ্ব অস্টিওপোরোসিস দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে।

দিবস দুটি উপলক্ষে মেরুদণ্ডের সুস্থতা রক্ষা, হাড়ের ক্ষয়রোধ এবং হাড়ের স্বাস্থ্য সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি-ব্লকের সামনে থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি ই-ব্লক প্রদক্ষিণ করে সি-ব্লক ঘুরে পুনরায় ডি-ব্লকে এসে শেষ হয়। পরে অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের শ্রেণিকক্ষে দিবস দুটি উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ব স্পাইন দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘স্পাইন ফর হেলথ’ এবং বিশ্ব অস্টিওপোরোসিস দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘বিল্ড, প্রোটেক্ট অ্যান্ড স্ট্রেংথেন ইয়োর বোনস’।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, শিশু অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. আতিয়ার রহমান, নার্সিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. মনির হোসেন খান, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. শেখ ফরহাদ এবং পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) ও অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এরফানুল হক সিদ্দিকী।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. কামরুল আহসান, অধ্যাপক ডা. আবু জার মো. সেলিম উল্লাহ, অধ্যাপক ডা. মো. শহিদুল ইসলাম খান, অধ্যাপক ডা. কেএম রফিকুল ইসলাম, উপাচার্যের একান্ত সচিব-১ অধ্যাপক ডা. জাহাঙ্গীর হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. সাজ্জাদ হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. মশিউর রহমান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. আলী নূরসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, চিকিৎসক ও কর্মকর্তারা।

দিবস দুটি পালনের মধ্য দিয়ে মেরুদণ্ডের সুস্থতা বজায় রাখা, অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয়জনিত রোগ প্রতিরোধ এবং সুস্থ ও শক্তিশালী হাড় গঠনে সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি এসব বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।