স্বাস্থ্য সংবাদ ব্রেকিং

শারমিন শাওন, নিজস্ব প্রতিবেদক
  ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪১ পি এম

টয়লেট পরিষ্কার রাখার স্বাস্থ্যকর নিয়ম, যেসব ভুল এড়িয়ে চলবেন

ছবি : সংগৃহীত

ঘরের অন্যান্য জায়গার মতো টয়লেটও নিয়মিত পরিষ্কার রাখা জরুরি। অপরিষ্কার ও স্যাঁতসেঁতে টয়লেটে জীবাণু, দুর্গন্ধ, ছত্রাক ও ময়লা জমে থাকতে পারে। এসবের সংস্পর্শে এলে হাতের মাধ্যমে জীবাণু খাবার বা মুখে পৌঁছাতে পারে এবং বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই শুধু দেখতে পরিষ্কার নয়, স্বাস্থ্যসম্মতভাবে টয়লেট পরিষ্কার করাও গুরুত্বপূর্ণ।

টয়লেট পরিষ্কারের সময় কমোডের ভেতরের অংশ, সিট, ঢাকনা, ফ্লাশের বোতাম, দরজার হাতল, কল ও বেসিন ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। এসব জায়গায় হাতের বারবার স্পর্শের কারণে জীবাণু জমতে পারে। পরিষ্কার করার জন্য উপযুক্ত টয়লেট ক্লিনার বা জীবাণুনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে এবং পণ্যের লেবেলে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত।

টয়লেট পরিষ্কার করার সময় গ্লাভস ব্যবহার করা ভালো। পরিষ্কার করার পর গ্লাভস খুলে সাবান ও পানি দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুতে হবে। টয়লেট পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত ব্রাশ, কাপড় বা মপ অন্য জায়গা পরিষ্কারে ব্যবহার না করাই নিরাপদ।

টয়লেট ব্যবহারের পর ঢাকনা থাকলে তা বন্ধ করে ফ্লাশ করা ভালো। বিশেষ করে ফ্লাশ করার সময় ঢাকনা খোলা থাকলে পানির ক্ষুদ্র কণা আশপাশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। টয়লেটে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা এবং মেঝে অতিরিক্ত ভেজা না রাখা জরুরি। স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে ছত্রাক ও দুর্গন্ধের সমস্যা বাড়তে পারে।

টয়লেট পরিষ্কারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা হলো বিভিন্ন ধরনের ক্লিনিং কেমিক্যাল একসঙ্গে মেশানো যাবে না। বিশেষ করে ব্লিচের সঙ্গে অ্যাসিডজাতীয় টয়লেট ক্লিনার বা অ্যামোনিয়াযুক্ত পণ্য মেশালে ক্ষতিকর গ্যাস তৈরি হতে পারে, যা শ্বাসতন্ত্র ও চোখের জন্য বিপজ্জনক। তাই একবারে একটি পরিষ্কারক ব্যবহার করে প্যাকেটের নির্দেশনা মেনে চলাই নিরাপদ।

পরিবারের সবাইকে টয়লেট ব্যবহারের পর সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করানোও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল এবং সঠিক হাত ধোয়ার অভ্যাস টয়লেটকে আরও স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করে।