স্বাস্থ্য সংবাদ ব্রেকিং
সকালের প্রথম খাবার কেমন হবে, তা নিয়ে নানা ধরনের প্রচলিত ধারণা রয়েছে। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, খালি পেটে বিশেষ কোনো একটি খাবার খাওয়ার চেয়ে সুষম ও পুষ্টিকর নাশতা বেছে নেওয়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
পানি দিয়ে শুরু করতে পারেন
ঘুমের পর শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সকালে পানি পান করা ভালো অভ্যাস। তবে খালি পেটে গরম পানি, লেবু পানি বা নির্দিষ্ট কোনো পানীয় খেলেই শরীর ‘ডিটক্স’ হবে—এমন শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
ওটস হতে পারে ভালো পছন্দ
ওটসে আঁশ থাকে। এর সঙ্গে বাদাম ও তাজা ফল যোগ করলে নাশতায় ফাইবার, ভিটামিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট পাওয়া যায়।
তাজা ফল খান
কলা, আপেল, কমলা, পেয়ারা বা মৌসুমি ফল সকালের খাবারে রাখা যেতে পারে। পুরো ফলের তুলনায় ফলের রসে সাধারণত কম আঁশ থাকে, তাই সম্ভব হলে জুসের বদলে আস্ত ফল বেছে নেওয়া ভালো।
ডিমে মিলবে প্রোটিন
ডিম সহজলভ্য প্রোটিনের উৎস এবং স্বাস্থ্যকর নাশতার অংশ হতে পারে। তবে ডিমের সঙ্গে শাকসবজি ও পূর্ণ শস্যজাতীয় খাবার রাখলে নাশতা আরও ভারসাম্যপূর্ণ হয়।
চিনি ছাড়া দই
প্লেইন বা চিনি ছাড়া দইয়ের সঙ্গে ফল ও বাদাম যোগ করে পুষ্টিকর নাশতা তৈরি করা যায়। দই প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের উৎসও হতে পারে।
বাদাম ও বীজ
কাঠবাদাম, আখরোট, চিনাবাদাম বা বিভিন্ন বীজ অল্প পরিমাণে নাশতায় যোগ করা যেতে পারে। এগুলো স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও অন্যান্য পুষ্টি সরবরাহ করে।
সাদা পাউরুটির বদলে পূর্ণ শস্য
পূর্ণ শস্যের রুটি বা ওটসের মতো খাবার বেছে নেওয়া ভালো। এগুলো পরিশোধিত শর্করার তুলনায় বেশি আঁশ সরবরাহ করে।
কী এড়িয়ে চলবেন?
সকালের নাশতায় অতিরিক্ত চিনি, মিষ্টি পানীয়, পেস্ট্রি, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার ও বেশি পরিমাণ পরিশোধিত শর্করা নিয়মিত না রাখাই ভালো। এগুলো দ্রুত রক্তে শর্করা বাড়াতে পারে এবং পুষ্টিগুণের তুলনায় অতিরিক্ত ক্যালরি যোগ করতে পারে।