স্বাস্থ্য সংবাদ ব্রেকিং
ঢাকা: দেশের চক্ষুস্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে সরকার।
এ কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে ১০ লাখ ছানি অপারেশন, এক কোটি চশমা বিতরণ এবং প্রায় দুই কোটি মানুষকে প্রাথমিক চক্ষুস্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাজধানীর সিরডাপ সম্মেলনকক্ষে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এ কথা জানান।
আইএনজিও ফোরাম ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অফথালমোলজি অ্যান্ড হসপিটালের (এনআইওএইচ) যৌথ উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি জেলা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে চক্ষু চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে আগামী পাঁচ বছরে ১৩০ কোটি মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।
এ বিনিয়োগের মাধ্যমে চক্ষু চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ, চিকিৎসা অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, দেশব্যাপী বিনামূল্যে ১০ লাখ মানুষের ছানি অপারেশন এবং এক কোটি মানুষের মধ্যে চশমা বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
পাশাপাশি প্রায় দুই কোটি মানুষকে প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসাসেবার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
স্কুলশিক্ষার্থীদের চক্ষুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা, প্রয়োজন অনুযায়ী চশমা প্রদান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় চক্ষু চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ড. এম এ মুহিত বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত ও সহজলভ্য চক্ষু চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে দেশের চক্ষুস্বাস্থ্যসেবার পরিধি আরও বাড়ানো হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অফথালমোলজি অ্যান্ড হসপিটালের পরিচালক ডা. সৈয়দ মেহবুব উল কাদির।
এতে আরও উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর দ্য প্রিভেনশন অব ব্লাইন্ডনেসের (আইএপিবি) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের কান্ট্রি চেয়ার ও অরবিস ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. মুনির আহমেদ, অপথালমোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের (ওএসবি) সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মো. জিন্নু রেইন (নিউটন) এবং সভাপতি ডা. মো. তৌহিদুর রহমান। আলোচনা পর্ব পরিচালনা করেন হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনালের প্রোগ্রাম হেড ডা. আফসানা হাবিব শিউলি।