স্বাস্থ্য সংবাদ ব্রেকিং
বায়ুদূষণের মাত্রা বাড়লে শ্বাস নেওয়ার সঙ্গে ধুলা, ধোঁয়া ও ক্ষুদ্র কণাও ফুসফুসে প্রবেশ করতে পারে। বিশেষ করে বাতাসে থাকা অতিক্ষুদ্র কণা PM2.5 দীর্ঘ সময় শরীরে প্রবেশ করলে শ্বাসতন্ত্র ও হৃদ্যন্ত্রের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। এ সময় বাইরে বের হলে সঠিক মাস্ক ব্যবহার কিছুটা সুরক্ষা দিতে পারে।
তবে সব ধরনের মাস্ক বায়ুদূষণ থেকে সমান সুরক্ষা দেয় না। সাধারণ কাপড়ের মাস্ক বা ঢিলেঢালা সার্জিক্যাল মাস্ক বড় কণা ও কিছু ধুলা আটকাতে পারলেও PM2.5-এর মতো সূক্ষ্ম কণা ঠেকাতে এগুলো খুব বেশি কার্যকর নয়।
কোন মাস্ক বেশি কার্যকর?
বায়ুদূষণের ক্ষুদ্র কণা থেকে সুরক্ষার জন্য N95 বা সমমানের ভালো মানের রেসপিরেটর বেশি কার্যকর। এগুলো মুখ ও নাকের সঙ্গে ভালোভাবে ফিট হলে বাতাসের সূক্ষ্ম কণা ফিল্টার করতে পারে।
তবে মাস্কের কার্যকারিতা অনেকটাই নির্ভর করে সঠিকভাবে পরার ওপর। নাক ও মুখ পুরোপুরি ঢেকে রাখতে হবে এবং মাস্কের চারপাশ দিয়ে যেন বাতাস সহজে ঢুকতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
মাস্ক ব্যবহারে যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন
▪️বায়ুদূষণ বেশি থাকলে বাইরে যাওয়ার সময় ভালো মানের ▪️রেসপিরেটর ব্যবহার করুন।
▪️মাস্ক নাকের নিচে রেখে ব্যবহার করবেন না।
▪️মুখের সঙ্গে ঢিলেঢালা হলে সুরক্ষা কমে যায়।
▪️ভেজা, নোংরা বা ক্ষতিগ্রস্ত মাস্ক ব্যবহার করা উচিত নয়।
▪️দীর্ঘক্ষণ বাইরে থাকতে হলে সম্ভব হলে দূষণের মাত্রা কম এমন সময়ে বের হন।
▪️দূষণ বেশি থাকলে অপ্রয়োজনে খোলা জায়গায় দীর্ঘ সময় অবস্থান না করাই ভালো।
▪️শুধু মাস্কের ওপর নির্ভর না করে ঘরের বাতাসও যতটা সম্ভব পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করুন।
শুধু মাস্কই কি যথেষ্ট?
না। মাস্ক বায়ুদূষণের ক্ষতিকর কণা থেকে ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে, কিন্তু দূষণের সব ধরনের উপাদান থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষা দেয় না। যেমন, গ্যাসীয় দূষক ঠেকাতে সাধারণ N95 সবসময় যথেষ্ট নয়।
বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং যাদের শ্বাসতন্ত্র বা হৃদ্যন্ত্রের সমস্যা রয়েছে, তাদের বায়ুদূষণের সময়ে বাড়তি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
তাই বাইরে বের হওয়ার সময় শুধু মাস্ক পরলেই হবে না,সঠিক মাস্ক, সঠিক ফিট এবং দূষণের মাত্রা সম্পর্কে সচেতন থাকাই পারে বায়ুদূষণের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে।