স্বাস্থ্য সংবাদ ব্রেকিং

শারমিন শাওন, নিজস্ব প্রতিবেদক
  ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৪ পি এম

ওষুধের পরীক্ষায় ব্যর্থতা, নোভার্টিসের বোর্ডে পরিবর্তনের দাবি বিনিয়োগকারীর

ছবি : সংগৃহীত

পরপর দুটি ওষুধের পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফল না আসার পর সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানি নোভার্টিসের পরিচালনা পর্ষদে পরিবর্তনের দাবি উঠেছে।

কোম্পানিটির অন্যতম বড় শেয়ারহোল্ডার আর্টিজান পার্টনার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডেভিড সামরা এ দাবি জানিয়েছেন।


রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সামরা বলেন, বড় অঙ্কের অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে নোভার্টিসের পরিচালনা পর্ষদের নজরদারি আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। তিনি বোর্ডে আরও দক্ষ ও অভিজ্ঞ সদস্য যুক্ত করার পাশাপাশি অধিগ্রহণের বিষয়গুলো দেখার জন্য আলাদা একটি কমিটি গঠনের আহ্বান জানান।


সাম্প্রতিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর নোভার্টিসের শেয়ারে বড় ধরনের পতন হয়েছে। মঙ্গলবার কোম্পানির ১২ বিলিয়ন ডলারের একটি অধিগ্রহণের মাধ্যমে কেনা মার্কিন প্রতিষ্ঠানের একটি পরীক্ষাধীন ওষুধের শেষ ধাপের পরীক্ষায় ব্যর্থতার খবর প্রকাশ পায়। এর পর নোভার্টিসের শেয়ারের দাম একদিনে ১০ শতাংশের বেশি কমে যায়। এতে কোম্পানিটির বাজারমূল্য থেকে প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার কমে যায়।


এর আগের দিনও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের পরীক্ষার ফল বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। ফলে টানা দুই দিনের ধাক্কায় নোভার্টিসের গবেষণা, বিনিয়োগ এবং অধিগ্রহণ কৌশল নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।


তবে সামরা কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ভাস নারসিমহানকে সরাসরি দায়ী করেননি। বরং তিনি পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার মতে, বড় অঙ্কের অধিগ্রহণের আগে সম্ভাব্য ঝুঁকি ও ভবিষ্যৎ মূল্য যথেষ্ট যাচাই করা হয়েছিল কি না, তা আরও কঠোরভাবে দেখা প্রয়োজন।


নোভার্টিসের সাম্প্রতিক অধিগ্রহণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সামরা। ২০২৪ সালে একটি জার্মান বায়োটেক প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণের পর কয়েক মাসের মধ্যেই ওই অধিগ্রহণের মূল্য কমিয়ে দেখাতে হয়েছিল। সামরার মতে, সাম্প্রতিক সময়ে কোম্পানির কিছু অধিগ্রহণ প্রত্যাশিত মূল্য তৈরি করতে পারেনি। তিনি ব্যবস্থাপনা পর্যায়ের পারিশ্রমিক কাঠামোতেও পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন।


তবে নোভার্টিস জানিয়েছে, সাম্প্রতিক পরীক্ষার ফলাফলের পরও তাদের আর্থিক পূর্বাভাস অপরিবর্তিত রয়েছে। কোম্পানির দাবি, তাদের হাতে বিভিন্ন পর্যায়ের ওষুধের একটি বিস্তৃত গবেষণা ও উন্নয়ন পাইপলাইন রয়েছে। ভবিষ্যতে নতুন বিনিয়োগ, অধিগ্রহণ এবং শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মূলধন ফেরতের ক্ষেত্রে তারা পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যাবে।


রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর্টিজান পার্টনার্সই প্রথম বিনিয়োগকারী, যারা প্রকাশ্যে নোভার্টিসের বোর্ডে পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছে। তবে কোম্পানির অধিগ্রহণ কৌশল নিয়ে অন্য বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও উদ্বেগ রয়েছে। ফলে আগামী দিনে নোভার্টিসের পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনার ওপর বিনিয়োগকারীদের চাপ আরও বাড়ে কি না, সেটিই এখন নজরে থাকবে।

 

সূত্র: রয়াটার্স

পরপর দুটি ওষুধের পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফল না আসার পর সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানি নোভার্টিসের পরিচালনা পর্ষদে পরিবর্তনের দাবি উঠেছে।

কোম্পানিটির অন্যতম বড় শেয়ারহোল্ডার আর্টিজান পার্টনার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডেভিড সামরা এ দাবি জানিয়েছেন।


রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সামরা বলেন, বড় অঙ্কের অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে নোভার্টিসের পরিচালনা পর্ষদের নজরদারি আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। তিনি বোর্ডে আরও দক্ষ ও অভিজ্ঞ সদস্য যুক্ত করার পাশাপাশি অধিগ্রহণের বিষয়গুলো দেখার জন্য আলাদা একটি কমিটি গঠনের আহ্বান জানান।


সাম্প্রতিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর নোভার্টিসের শেয়ারে বড় ধরনের পতন হয়েছে। মঙ্গলবার কোম্পানির ১২ বিলিয়ন ডলারের একটি অধিগ্রহণের মাধ্যমে কেনা মার্কিন প্রতিষ্ঠানের একটি পরীক্ষাধীন ওষুধের শেষ ধাপের পরীক্ষায় ব্যর্থতার খবর প্রকাশ পায়। এর পর নোভার্টিসের শেয়ারের দাম একদিনে ১০ শতাংশের বেশি কমে যায়। এতে কোম্পানিটির বাজারমূল্য থেকে প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার কমে যায়।


এর আগের দিনও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের পরীক্ষার ফল বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। ফলে টানা দুই দিনের ধাক্কায় নোভার্টিসের গবেষণা, বিনিয়োগ এবং অধিগ্রহণ কৌশল নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।


তবে সামরা কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ভাস নারসিমহানকে সরাসরি দায়ী করেননি। বরং তিনি পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার মতে, বড় অঙ্কের অধিগ্রহণের আগে সম্ভাব্য ঝুঁকি ও ভবিষ্যৎ মূল্য যথেষ্ট যাচাই করা হয়েছিল কি না, তা আরও কঠোরভাবে দেখা প্রয়োজন।


নোভার্টিসের সাম্প্রতিক অধিগ্রহণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সামরা। ২০২৪ সালে একটি জার্মান বায়োটেক প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণের পর কয়েক মাসের মধ্যেই ওই অধিগ্রহণের মূল্য কমিয়ে দেখাতে হয়েছিল। সামরার মতে, সাম্প্রতিক সময়ে কোম্পানির কিছু অধিগ্রহণ প্রত্যাশিত মূল্য তৈরি করতে পারেনি। তিনি ব্যবস্থাপনা পর্যায়ের পারিশ্রমিক কাঠামোতেও পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন।


তবে নোভার্টিস জানিয়েছে, সাম্প্রতিক পরীক্ষার ফলাফলের পরও তাদের আর্থিক পূর্বাভাস অপরিবর্তিত রয়েছে। কোম্পানির দাবি, তাদের হাতে বিভিন্ন পর্যায়ের ওষুধের একটি বিস্তৃত গবেষণা ও উন্নয়ন পাইপলাইন রয়েছে। ভবিষ্যতে নতুন বিনিয়োগ, অধিগ্রহণ এবং শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মূলধন ফেরতের ক্ষেত্রে তারা পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যাবে।


রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর্টিজান পার্টনার্সই প্রথম বিনিয়োগকারী, যারা প্রকাশ্যে নোভার্টিসের বোর্ডে পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছে। তবে কোম্পানির অধিগ্রহণ কৌশল নিয়ে অন্য বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও উদ্বেগ রয়েছে। ফলে আগামী দিনে নোভার্টিসের পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনার ওপর বিনিয়োগকারীদের চাপ আরও বাড়ে কি না, সেটিই এখন নজরে থাকবে।

নোভার্টিসের বিভিন্ন ওষুধ বাংলাদেশে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কোম্পানিটির কোনো পরীক্ষাধীন ওষুধের পরীক্ষায় ব্যর্থতার ঘটনাকে বাংলাদেশে ব্যবহৃত নোভার্টিসের সব ওষুধের কার্যকারিতা বা নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি মিলিয়ে দেখা ঠিক হবে না। কারণ প্রতিটি ওষুধের কার্যকারিতা, নিরাপত্তা ও অনুমোদন আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা হয়।

 

সূত্র: রয়াটার্স