স্বাস্থ্য সংবাদ ব্রেকিং
ব্রেন টিউমার নামটি শুনলেই অনেকের মনে ভয় তৈরি হয়। তবে সব ব্রেন টিউমার ক্যানসার নয়, আবার সব ব্রেন টিউমার মৃত্যুর কারণও নয়। এ বিষয়ে মানুষের মনে অসংখ্য প্রশ্ন রয়েছে। নিচে ব্রেন টিউমার সম্পর্কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও অজানা প্রশ্নগুলোর উত্তর তুলে ধরা হলো।
না। ব্রেন টিউমার দুই ধরনের হতে পারে—
এর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি। তবে কিছু ঝুঁকির কারণ রয়েছে—
৩. মোবাইলন ব্যবহার করলে কি ব্রেন টিউমার হয়?
বর্তমান বৈজ্ঞানিক গবেষণায় মোবাইল ফোন ব্যবহারের সঙ্গে ব্রেন টিউমারের সরাসরি সম্পর্কের নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে এ বিষয়ে গবেষণা এখনো চলছে।
সব মাথাব্যথা ব্রেন টিউমারের লক্ষণ নয়।
মাথাব্যথার অধিকাংশ কারণ হলো—
তবে যদি মাথাব্যথা ক্রমাগত বাড়তে থাকে এবং সঙ্গে বমি, খিঁচুনি বা দৃষ্টিশক্তির সমস্যা থাকে, তাহলে পরীক্ষা করানো উচিত।
হ্যাঁ।
শিশুদের মধ্যে লিউকেমিয়ার পর ব্রেন টিউমার অন্যতম সাধারণ ক্যানসার।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নয়।
মাত্র ৫-১০ শতাংশ ক্ষেত্রে জেনেটিক কারণ জড়িত থাকতে পারে।
একেবারেই না।
একজন আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে অন্য কারও মধ্যে ছড়ায় না।
না।
অনেক রোগীর খিঁচুনি হয়, আবার অনেকের হয় না।
প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা যায়, কিন্তু নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করতে সাধারণত MRI সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য।
সাধারণ রক্ত পরীক্ষায় ধরা পড়ে না।
এমআরআই, সিটি স্ক্যান ও বায়োপসি প্রয়োজন হয়।
অনেক ক্ষেত্রে হয়।
বিশেষ করে বিনাইন টিউমার অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সম্পূর্ণ অপসারণ করা গেলে রোগী স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।
হ্যাঁ।
বিশেষ করে ম্যালিগন্যান্ট টিউমারের ক্ষেত্রে পুনরায় হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
হতে পারে।
বিশেষ করে মস্তিষ্কের স্মৃতি নিয়ন্ত্রণকারী অংশ আক্রান্ত হলে।
হ্যাঁ।
কিছু রোগীর আচরণ, আবেগ, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা ও ব্যক্তিত্বে পরিবর্তন দেখা যায়।
যদি টিউমার চোখের স্নায়ু বা দৃষ্টিকেন্দ্রে চাপ সৃষ্টি করে, তাহলে দৃষ্টিশক্তি আংশিক বা সম্পূর্ণ নষ্ট হতে পারে।
হ্যাঁ।
মস্তিষ্কের চলাচল নিয়ন্ত্রণকারী অংশ আক্রান্ত হলে শরীরের এক পাশ অবশ হয়ে যেতে পারে।
না।
সব টিউমারের ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয় না।
কিছু ক্ষেত্রে—
দিয়েও চিকিৎসা করা হয়।
বর্তমানে উন্নত নিউরোসার্জারির কারণে ঝুঁকি আগের তুলনায় অনেক কমেছে।
তবে ঝুঁকি নির্ভর করে—
ইত্যাদির ওপর।
এটির নির্দিষ্ট উত্তর নেই।
নির্ভর করে—
এর ওপর।
অনেক রোগী চিকিৎসার পর ২০-৩০ বছর বা তারও বেশি সময় সুস্থভাবে বেঁচে থাকেন।
সরাসরি কারণ নয়।
তবে স্বাস্থ্যকর খাবার রোগীর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
হ্যাঁ।
কখনও কখনও বিষণ্নতা, আচরণগত পরিবর্তন বা স্মৃতিভ্রংশের মতো উপসর্গ দেখা দেয়।
সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, নতুন এআই প্রযুক্তি কয়েক মিনিটে ব্রেন টিউমারের ধরন শনাক্ত করতে সক্ষম। ভবিষ্যতে এটি দ্রুত ও নির্ভুল রোগনির্ণয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
বর্তমানে নেই।
তবে ঝুঁকি কমাতে—
গুরুত্বপূর্ণ।
ব্রেন টিউমার মানেই মৃত্যু নয়। আধুনিক চিকিৎসা, উন্নত অস্ত্রোপচার, রেডিওথেরাপি, কেমোথেরাপি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নতুন রোগনির্ণয় প্রযুক্তির কারণে বর্তমানে অনেক রোগী দীর্ঘদিন সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন। রোগ যত দ্রুত শনাক্ত হবে, সফল চিকিৎসার সম্ভাবনাও তত বেশি হবে।