স্বাস্থ্য সংবাদ ব্রেকিং
অ্যাজমা (Asthma) একটি দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসতন্ত্রের রোগ। এতে শ্বাসনালিতে প্রদাহ সৃষ্টি হয় এবং তা সংকুচিত হয়ে যায়। ফলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, কাশি, শোঁ-শোঁ শব্দ ও বুকে চাপ অনুভূত হয়। সঠিক চিকিৎসা ও নিয়ম মেনে চললে অধিকাংশ অ্যাজমা রোগী স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।
অ্যাজমা হলো শ্বাসনালির দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনিত রোগ, যেখানে শ্বাসনালি অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে বিভিন্ন কারণে সংকুচিত হয়ে যায়।
অ্যাজমার নির্দিষ্ট একক কারণ নেই। বংশগত প্রবণতা ও পরিবেশগত কারণ একসঙ্গে কাজ করে।
না। এটি একজনের কাছ থেকে আরেকজনের মধ্যে ছড়ায় না।
এটি সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি রোগ। পুরোপুরি নির্মূল না হলেও নিয়মিত চিকিৎসা ও ইনহেলার ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
হ্যাঁ। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ইনহেলারই সবচেয়ে কার্যকর ও নিরাপদ চিকিৎসা। এটি সরাসরি ফুসফুসে ওষুধ পৌঁছে দেয় এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও তুলনামূলক কম।
সব রোগীর ক্ষেত্রে নয়। রোগের তীব্রতা অনুযায়ী চিকিৎসক প্রয়োজন হলে ওষুধ কমাতে বা পরিবর্তন করতে পারেন।
অবশ্যই পারবেন। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ ব্যবহার করে এবং উপযুক্ত ব্যায়াম নির্বাচন করতে হবে। হাঁটা, সাঁতার ও হালকা ব্যায়াম উপকারী।
সবার জন্য একই নিষেধ নেই। যে খাবারে অ্যালার্জি হয়, তা এড়িয়ে চলতে হবে। ফল, শাকসবজি ও সুষম খাদ্য গ্রহণ উপকারী।
কিছু শিশুর ক্ষেত্রে বয়স বাড়ার সঙ্গে উপসর্গ কমে যেতে পারে। তবে অনেকের ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্ক বয়সেও থেকে যায়।
বংশগত কারণ প্রতিরোধ করা না গেলেও ধূমপান বর্জন, বায়ুদূষণ এড়িয়ে চলা, অ্যালার্জির কারণ শনাক্ত করা এবং নিয়মিত চিকিৎসা নেওয়ার মাধ্যমে অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
অ্যাজমা অবহেলা করার মতো রোগ নয়। তবে সঠিক সময়ে রোগ শনাক্ত করা, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ইনহেলার ও ওষুধ ব্যবহার এবং জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন আনলে অধিকাংশ রোগী সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।